Saturday, 27 September 2014
কখনো বড় ক্লান্ত লাগে
চোখ দুটো মুদে আসে আর,
তপ্ত এক দীর্ঘশ্বাস.....
কখনো কাঠফাটা রোদ্দুরে
একলা পথে হাটতে গিয়ে
কোনো এক অদ্ভুত আকুলতায়
বুকটা ভেঙ্গে পড়ে...
কখনো জোছনা রাত্তিরে
অচেনা কোন আদিম গন্ধে
হৃদয়ের সবটুকু কঠোরতা
অশ্রু হয়ে ঝরে পড়ে।
কিংবা কোন বর্ষা ভেজা সন্ধ্যায় যখন পাখিরা
নীড়ে ফেরে,
আকুল হয়ে সে কোলাহলে
নিঃস্ব হৃদয়টা কোন চেনা কণ্ঠ খুঁজে
ফেরে...
২০১০
চেনা-অচেনা মানুষের চোখের তারায়
লুকোনো অভিব্যক্তি, কিংবা বলা না বলা
শব্দাবলীর অর্থ খুঁজতে গিয়ে, আর চার-
পাশের মানব যন্ত্রগুলোর প্রোগ্রাম
বুঝতে গিয়ে নিজের
ইনফোগ্রাফটা গোছানো হলোনা তার।
তাইতো যে যার প্রোগ্রাম
অনুযায়ী বুঝে নিচ্ছে একটা অগোছালো সাইকোর
ইনফোগ্রাফ...
সে সাইকো।
কারণ তার ভাবলেষহীন চোখে
এজন্যে বর্ষার প্লাবন নেই,
ভুল ভাঙানোর তাকিদ নেই,
অযাচিত অস্থিরতা নেই।
সে সাইকো।
কেননা সে বোকা খরগোশের মত
মাঝপথে ঘুমিয়ে পড়েনা আবার
পরিশ্রমী কচ্ছপের মত অবিরাম পথ ও চলেনা।
শুধু নিষ্পলক চেয়ে দেখে রেসের
মানুষগুলোকে।
জানো তো! যান্ত্রিক মানবের সাথে মানবিক
সাইকোর কোন প্রতিযোগিতা হয়না।
হতে পারেনা।
২১,০৬,১৩
একদিন শেকড়ের খোঁজে বেরুবো....
আদিগন্ত বিস্তৃত কোন সবুজে,
যেখানে আকাশ আর জমিনের
রেখা হারিয়ে যায়।
যেখানে সবুজ আর নীলে মাখামাখি কোন
পদ্মপাতার ফাঁকে,
কিংবা একচিলতে ডিঙ্গিতে স্ফটিক ঢেউয়ের
বাকে।
বৃষ্টি ভেজা রাত্তিরে মাটির সোদা গন্ধে,
অথবা জোছনা বিহারে বাঁশপাতার অদ্ভুত
ছন্দে...
একদিন পানকৌড়ি হব...
নিঃশ্বাসে পান করে নেব অসীমের সব সুন্দর।
ভালোলাগা কোন গানের ছন্দে দোলাবো হন্দয়
ঝুমকো জবার ছন্দে হৃদয়ের সে দুলুনি
মিলেমিশে হবে একাকার...
অচিন কোন পাখির চঞ্চলতায়,
কিংবা মাতাল কোন সুবাসে খুঁজবো আদিম
মুগ্ধতা।
এক সময় ক্লান্তিতে বুজে আসবে চোখ
তবুও মোহের প্রাবল্যে ছুটে বেড়াবো মাসরিক
থেকে মাগরিব।
যদি আবার কখনো প্রাণ ফিরে পাই,
একদিন শেকড়ের খোঁজে বেরুবো...
২৮,০৫,১৩
Subscribe to:
Posts (Atom)






